উত্তর : যে কোন কারণেই শাশুড়ির নামে করুক, সেই সম্পত্তি এখন শাশুড়ির। তার মোহরানার সাথে এর কোন সম্পর্ক নাই। ঐ সম্পত্তি থেকে তার মোহরানা বাদ দেওয়ার পরও বাকী সম্পত্তিও এখন শাশুড়ির। তবে, সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গকে ডেকে তাদের সম্মুখে শ্বশুড় যদি লিখিত দিত, এবং তাদেরকে ঐ স্ট্যাম্পে সাক্ষী রাখতো যে, আমার সম্পত্তি কোন কারণে বাচানোর জন্য আমার স্ত্রীর নামে দিচ্ছি, এবং ঐ স্ট্যাম্পে শ্বাশুড়ির স্বাক্ষর থাকতে হবে, গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গের স্বাক্ষর থাকতে হবে, তাহলে হয়তো, ছেলে মেয়েরা পিতার মৃত্যুর পরে ঐ সম্পত্তির দাবীদার হতে পারতো। তারপরেও কথা থেকে যায়, অর্থাৎ, এরপরেও বিষয়টি ঐ মায়ের মর্জির উপরই নির্ভর করবে, কারণ এখন ছেলেমেয়েকে ঐ সম্পত্তির অংশ দিতে চাইলে, ছেলেমেয়েকে দলিল রেজিষ্ট্রী করে দিতে হবে, যেহেতু সম্পত্তি তার নিজের নামে। অতএব, যেহেতু পিতার পক্ষ থেকে গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সমন্বয়ে এরকম লিখিত কোন কিছু নাই, এবং তার মনোভাব সত্যিকার অর্থে কি ছিল, সেটা সত্যিকার ভাবে জানারও অথেনটিক কোন সোর্স এই মুহুর্তে নাই, (কারণ তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন) , তাই এখন এটা মায়ের মর্জির উপর নির্ভর করবে। মা যদি স্বাভাবিক ভাবে দেয়, ভালো, নইলে মায়ের সাথে জোর করা যাবেনা বা বেয়াদবী করা যাবে না, এবং তিনি সন্তানদের নিকট যে অধিকার প্রাপ্য তা থেকেও তাকে বঞ্চিত করা যাবেনা। মোট কথা, উপরে উল্লেখিত পদ্ধতি ছাড়া, স্বাভাবিক ভাবে ঐ সম্পত্তিকে পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে দাবী করার কোন অধিকারই ছেলেমেয়ের আর নাই, এবং যদি করে তবে তা মূর্খতা এবং অন্যায় হবে।
No comments:
Post a Comment