হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নামাজের সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত
এতে কী পরিমাণ পাপ রয়েছে, তবে তার সম্মুখ দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে ৪০ বছর
দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম হতো। হাদিসের বর্ণনাকারী আবু নসর বলেন, আমার মনে পড়ে না
৪০ দিন না ৪০ মাস, না ৪০ বছর বলেছেন।’ -সহিহ বোখারি।
তবে কেউ যদি নামাজীর বরাবর সামনে থাকে, তাহলে সেখান থেকে চলে যাওয়ার
সুযোগ আছে। এটা নামাজের সামনে দিয়ে অতিক্রম করার অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে বিনা
প্রয়োজনে এমন করা ঠিক নয়।
বিনা সুতরায় নামাজ পড়লে কেউ সামনে দিয়ে গেলে নামাজ নষ্ট হয় না। কিন্তু
নামাজের ক্ষতি হয়। মানুষ চলাফেরা করতে পারে, এমন স্থানে সুতরা না রেখে
নামাজ পড়া গুনাহের কাজ।
যে মসজিদের প্রশস্ততা ৪০ হাতের বেশি, এমন মসজিদে নামাজরত ব্যক্তির দুই
কাতার সামনে দিয়ে অতিক্রম করা জায়েয। অর্থাৎ নামাজীর কাতারসহ মোট তিন কাতার
দূরত্ব দিয়ে যাওয়া যাবে। এর চেয়ে ছোট মসজিদে মুসল্লির সামনে দিয়ে সুতরা
ছাড়া অতিক্রম করা যাবে না।
তবে কারো কারো মতে নামাজীর সিজদা দেওয়ার স্থান পর্যন্ত নামাযের স্থান। সে হিসেবে নামাজীর কাতার সহ মোট দুই কাতার দূরত্ব দিয়ে যাওয়া যাবে।
সুন্দর জিনিস জানলাম,৷
ReplyDeleteজায়নামাজের সামনে কোন বস্তু রেখে নামাজ পড়লে তার সমনে দিয়ে আসা যাওয়া কর যায় নাক?
ReplyDelete